$দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, যেমন ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এলএনজি সরবরাহের জন্য কাতারের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ভারতের ৪০% এলএনজি আসতো কাতার থেকে। বাকিটা আরব আমিরাত, ওমান সহ অন্যান্য দেশ থেকে। বাংলাদেশেরও একই অবস্থা। অন্যদিকে চীন এতোটা মধ্যপ্রাচ্যের উপর নির্ভরশীল নয়। তারা রাশিয়া, মধ্য এশিয়া থেকে বড়ো একটা অংশ সরবরাহ পেয়ে থাকে।

ইরান যুদ্ধের ফলে এলএনজি ব্যবসা থেকে ছিটকে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।

মার্কেটে বিশাল পরিমাণ চাহিদা থাকায় এর একচ্ছত্র ব্যবসা লুফে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আর অস্ট্রেলিয়া। মজার ব্যাপার হলো, ভারত সাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে যে সাবমেরিন, সেখানে অস্ট্রেলিয়ার তিনজন নাগরিক ছিলো বলে স্বীকার করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফল স্বরূপ বাংলাদেশের দ্বিগুনেরও বেশি দাম দিয়ে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে। এবং এই অর্থ যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পেটে যা ঘুরে ফিরে যুদ্ধের অর্থেরই যোগান দেবে।

আপাত দৃষ্টে মনে হচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ। বিশ্বব্যাপী ট্যারিফ বৃদ্ধি, ভেনেজুয়েলার তেল দখল, ইরান যুদ্ধ সবকিছু একই সূত্রে গাঁথা। সময়টা খুবই অদ্ভুত। পুরো বিশ্ব ব্যবস্থা উলটে পালটে যাচ্ছে। উলটে পালটে শেষমেশ কি দাঁড়ায় সেটাই দেখার পালা।

$ROBO

$BARD

$OPN